Sunday, 19 January 2020

ককসিডিওসিস বা রক্ত আমাশয়

ককসিডিওসিস বা রক্ত আমাশয়
রক্ত মিশানো পাতলা পায়খানা, রক্ত শূণ্যতা শরীরের দ্রুত ক্ষয়প্রাপ্তি রোগের প্রধান বৈশিষ্ট্য

লক্ষণ
) শরীরের তাপমাত্রা অল্প বৃদ্ধি পায়
) হঠাৎ করে পায়খানা শুরু হয়
) পায়খানার সময় ঘন ঘন কোথ দেয়
) পায়খানা খুবই দুগর্ন্ধযুক্ত
) আক্রান্ত পশু দিন দিন দূর্বল হতে থাকে
) মলের সাথে মিউকাস অথবা চাকা চাকা রক্ত থাকে
) খেতে চায় না
) শ্বাসকষ্ট দেখা দেয়
চিকিৎসা প্রতিকার
১। ভেলুসং ২০% ইনজেকশন
২। সকেটিল পাউডার ইত্যাদি


অনুর্বরতা ও সাময়িক বন্ধ্যাত্ব

অনুর্বরতা সাময়িক বন্ধ্যাত্ব
সাধারণত প্রজনন ইন্দ্রিয়সমূহের বিভিন্ন সংক্রামক ব্যাধি, হরমোন ক্ষরণের অনিয়ম, অসমতা, ওভারিতে সিস্ট পুষ্টিহীনতা ইত্যাদি কারণে সাময়িক বন্ধ্যাত্ব রোগ হয়ে থাকে


চিকিৎসা প্রতিকার

সঠিক কারণ নির্ধারণ করে হরমোন দ্বাা চিকিৎসা করলে সাময়িক বন্ধ্যাত্ব দূর হয়। যৌননালীর অসুখের দরুন বন্ধ্যাত্ব হলে ইউটোলিস পেশারিস, স্টিমাভেট ট্যাবলেট জরায়ুতে স্থাপন করতে হবে। ভিটামিন '' যুক্ত সুষম পুষ্টিকর খাবার দিতে হবে

গর্ভপাত

গর্ভপাত
সাধারণত রোগ-জীবানুর কারণেই অধিকাংশ গর্ভপাত হয়ে থাকে। এছাড়া আঘাত, বিষক্রিয়া, পক্ষাঘাত ইত্যাদি কারণেও গর্ভপাত হতে পারে


চিকিৎসা প্রতিকার
১। ইউটোসিল পেশারিশ

২। এ্যান্টিবায়োটিক ইনজেকশন ইত্যাদি

জলুবায়ুর প্রদাহ

জলুবায়ুর প্রদাহ
অধিকাংশ ক্ষেত্রে রোগের জীবাণূ যোনিপথ হতে জরায়ুতে পৌছে রোগ হতে পারে। গর্ভ ফুলের টুকরা ভেতরে থেকে গেলে পচে যায় এবং প্রদাহের কারণ ঘটায়। কামপর্বে পশুর যৌন-ক্রিয়ার সয়ও অনেক সময় জরায়ুতে রোগ জীবানূ সংক্রমিত হয়ে থাকে


লক্ষণ
) জ্বর হয়
) দুর্গন্ধযুক্ত জলের মতো কিংবা কালচে লাল রঙের স্রাব পড়তে দেখা যায়
) খাদ্যে অরুচি হয়
) দুধ কমে যায়
) গাভী পাল রাখে না


চিকিৎসা প্রতিকার
১। ইউটোলিস পেরারিস

২। এ্যান্টিবায়েটিক ইনজেকশন ইত্যাদি

নিউমোনিয়া,কিটোসিস,ফুল আটকে যাওয়া

নিউমোনিয়া
ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, ফাঙ্গাস, রাসায়নিক দ্রবাদি, ঠান্ডা ইত্যাদির কারণে পশুর নিউমোনিয়া হতে পারে


লক্ষণ
) ঘনঘন নিঃশ্বাস রোগের প্রধান লক্ষণ
) রোগের শেষ পর্যায়ে শ্বাসকষ্ট হয়
) শুল্ক কাশি হতে পারে
) তীব্র রোগে জ্বর হয় এবং নাক দিয়ে সর্দি পড়ে
) বুকের মধ্যে গরগর শব্দ হয়


চিকিৎসা প্রতিকার
১। ভেলুসং ২০%
২। অ্যান্টিবায়টিক
৩। ক্লোরেটেট্রাসন
৪। টেরামাইসিন
৫। ভেটিবেনজামিন



কিটোসিস
দেহের মধ্যে শর্করা জাতীয় খাদ্যের বিপাকক্রিয়ার কোন প্রকার বিঘ্ন ঘটলে রক্তে এসিটোন বা কিটোন নামক বিষাক্ত দ্রব্য অধিক মাত্রায় জমা হয়ে দেহ বিষিয়ে তোলে। এই বিষক্রিয়ার ফলেই কিটোসিস রোগের সৃষ্টি হয়


লক্ষণ
) ক্ষুধামন্দা দেখা দেয়
) গাভীর দুধ কমে যায়
) দৈহিক ওজন কমে যায়
) কোষ্ঠাকাঠিন্য দেখা দেয়
) এছাড়া আক্রান্ত পশুর নিঃশ্বাস-প্রশ্বাসে এসিটোনের মিষ্টি গন্ধ পাওয়া যায়
) অনেক সময় গাভী এক জায়গায় দাঁড়িয়ে চতুর্দিকে ঘোরে


চিকিৎসা প্রতিকার
অপটিকরটেনল-এস ইনজেকশন


ফুল আটকে যাওয়া
বাচ্চা প্রসবের পর অনেক সময় নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ফুল বের হয়ে আসে না। এবং এসব ক্ষেত্রে গর্ভ ফুলের অংশ বিশেষ বাইরের দিক হতে ঝুলে থাকতে দেখা যায়


চিকিৎসা প্রতিকার
১। অকসিটোসিন
২। ইউটোসিল পেশারিস

৩। এ্যানটবায়েটিক ইনজেকশন ইত্যাদি

ককসিডিওসিস বা রক্ত আমাশয়

ককসিডিওসিস বা রক্ত আমাশয় রক্ত মিশানো পাতলা পায়খানা , রক্ত শূণ্যতা ও শরীরের দ্রুত ক্ষয়প্রাপ্তি এ রোগের প্রধান বৈশিষ্ট্য...